Showing posts with label unknown. Show all posts
Showing posts with label unknown. Show all posts

অশরীরীর সময় হাইপোথিসিস অজানা বছরগুলো

Phantom time hypothesis সম্পর্কে আমরা তেমন জানি না আমি তো জানতাম না আজ একটু আধটু জানলাম তাই লিখতে বসলাম। আজব বিশ্বে অনেক আজব কাজ কারবার ঘটে তার একটি হল Dark Age. Phantom time hypothesis হল এমন কিছু বছরের সমষ্টিক নাম তা থেকেও নেই। অনেকের মতে আমারা এখন ৩০০ বছর পিছনে মানে ১৭১৪ সালে রয়েছি। কথাটা শুনতে অনেক আশ্চর্য লাগলেও অনেক বৈজ্ঞানীকই এটা প্রমান করেছেন যে আমাদের দিনপঞ্জিকায় বিরাট ভুল আছে।আমরা বেশ কিছু শতাব্দি পিছনে রয়েছি যেখানে আমাদের দিনপঞ্জিকা অনেক বছর এগিয়ে রয়েছে।
phantom time hypothesis
ধারনা করা হয় ভ্যাটিকান পোপ চালাকি করে এই কাজটি করেছিলেন ইউরোপের কালো শতাব্দিকে শেষ করার জন্য।যাতে কালো অন্ধকারে জীবন কাটাতে না হয়। প্রথমে ১৯৮০ সালে সর্ব প্রথম এই ধারনার উপর কাজ করা হয়।পরে অনেক বৈজ্ঞানীকই এর উপরে কাজ করে এবং এর সত্যতা যাচাই করে। বিবিসি ও এর উপরে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। আমি এটা সম্পর্কে এর থেকে বেশি বলতে পারলাম না। তবে নিচে দুইটি ভিডিও আর কিছু লিংক দিলাম হয়তো আপনার কিছু বুঝতে পারবেন। যদি নতুন কিছু জানতে পারেন তাহলে অবশ্যই কমেন্টস্ করে জানাবেন।

প্রথমে উপরেরটা দেখুন তার পরে নিচেরটা দেখুন


সূত্র: ১. http://en.wikipedia.org/wiki/Phantom_time_hypothesis
      ২. http://www.bbc.co.uk/dna/place-london/plain/A85654957
     ৩. http://www.forteantimes.com/features/articles/5593/phantom_time.html
     ৪. https://www.uwgb.edu/dutchs/PSEUDOSC/Phantom%20Time.HTM

নাজকা সভ্যতার রহস্যময় ভূ-চিত্র

নাজকা লাইন হলো পেরুর দক্ষিণাঞ্চলের প্যাম্পা কলোরাডো বা লাল সমতলভূমি নামে পরিচিত এলাকার মাটিতে আঁকা কিছু জীব-জন্তু এবং জ্যামিতিক রেখার সমাহার যাদের ইংরেজীতে geoglyph বলা হয়ে থাকে। ১৯২০ এর দশকের শেষভাগে পেরুর রাজধানী লিমা এবং এর দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আরেকিপার মধ্যে বানিজ্যিক ভাবে বিমান চলাচল শুরু হলে ন্যাসকা লাইনগুলি প্রথম ব্যাপকহারে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হয়। সেই সাথে আর্কিওলজিস্ট, এন্হ্রোপোলজিস্ট সহ প্রাচীণ সভ্যতা সম্পর্কে আগ্রহী সকল মানুষকে এক বিশাল ধাঁধার মধ্যে ফেলে দেয়। ছবিগুলো আন্দিজ পর্বত এবং প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩৭ মাইল দূরে সমান্তারালভাবে প্রায় ১৫ মাইল দীর্ঘ ব্যাপী বিস্তৃত। এই লাইনগুলোকে কখনও ইনকাদের রাস্তা, কখনও চাষাবাদের পরিকল্পনা, আবার কখনও পুরনোদিনের 'হট এয়ার' বেলুন থেকে উপভোগ করার জন্য আঁকা ছবি হিসাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন এগুলি হচ্ছে নাজকাদের মহাকাশীয় ক্যালেন্ডার। এদের মধ্যে সবচাইতে উল্লেখযোগ্য ব্যাখ্যাটি হচ্ছে এরিক ভন দানিকেনের ভিনগ্রহবাসীদের বিমান অবতারনার জন্য বানানো এয়ারস্ট্রীপের ব্যাখ্যাটা

nazca line peru
১৯৯৭ সালে পেরু এবং জার্মান গবেষকদলের সমন্ময়ে প্যালপা শহরের কাছে নাজকা-প্যালপা নামে একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করা হয়। এই গবেষকদল নিয়মতান্ত্রিকভাবে একাধিক বিষয়ভিত্তিক গবেষনা শুরু করেন, যেমন ঐ অঞ্চলের মানুষের জীবন-যাপন পদ্ধতি, কেনইবা তারা হারিয়ে গেল, এই লাইনগুলোর উদ্দেশ্যই বা কি ছিলো। এই গবেষকদলের মতে নাজকা সভ্যতার শুরু এবং শেষ হয়েছে "পানির" সাথে সাথে। পেরুর উপকূলীয় দক্ষিনাঞ্চল এবং চিলির উত্তরাঞ্চল হলো পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক অঞ্চল। আন্দিজ পর্বত থেকে পূর্ব দিকে দশটি নদী নেমে এসেছে যেগুলো বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় শুকনো থাকে। এই নদীগুলো দ্বারা গঠিত একটি সুরক্ষিত অববাহিকাতেই ন্যাসকা সভ্যতা বিকশিত হয়েছিলো। বসতির স্হাপনার জন্য এখানকার পরিবেশ ছিলো খুবই উপযুক্ত এবং সেই সাথে ছিলো ঝুঁকিপূর্ন। নাজকার আঞ্চলিক আবহাওয়া খুবই নাটকীয় ভাবে ওঠানামা করে। যখন দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যাঞ্চল থেকে "বলিভিয়ান হাই" নামে পরিচিত উচ্চচাপের বায়ুমন্ডল উত্তর দিকে সরে আসে তখন আন্দিজের পশ্চিম ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আর যখন সেটা দক্ষিণদিকে দিকে সরে যায় তখন বৃষ্টিপাত কমে যায় ফলে নাজকা অঞ্চলের নদীগুলো শুকিয়ে যায়। ঝুঁকিপূর্ন এই পরিবেশ সত্বেও নাজকা সভ্যতা প্রায় ৮০০ বছর ধরে বিকশিত হয়েছিলো।
খৃষ্টপূর্ব ২০০ সালের দিকে আরও পুরোনো সভ্যতা প্যারাকাস থেকে নাজকাদের আবির্ভাব হয়। এরা নদী অববাহিকায় বসতি স্হাপন করে কৃষিকাজ করতে শুরু করে। ঐ সময় নাজকাদের ধর্মীয় কান্ড-কারখানার কেন্দ্র ছিলো কাহুয়াচি বলে একটি যায়গা। ১৯৫০ সালে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলিয়াম ডানকান স্ট্রং প্রায় ৩৭০ একর এলাকা জুড়ে এই এলাকাটির খনন কার্য চালিয়ে মাটির তৈরী পিরামিড, বেশ কয়েকটি বড়বড় মন্দির, প্রশস্ত বাজার (প্লাজা), প্লাটফরম, পরস্পর সংযুক্ত সিড়ি, এবং করিডোরের একটি নেটওয়ার্ক খুঁজে পান। কাহুয়াকির ৯ মাইল পূর্বে ন্যাসকা নদী মাটির অভ্যন্তরে ঢুকে গিয়ে হঠাৎ করেই আবার কাহুয়াচির পাদদেশে ঝর্নার মত মাটির নীচ থেকে আবির্ভূত হয়েছে। এই স্হানে পানির এই হঠাৎ মাটির নীচ থেকে আবির্ভূত হওয়াটাকে নিঃসন্দেহেই সেই প্রাচীন আমলে ঐশ্বরিক ভাবা হত বলে ভাবা হত।

নাজকার অন্যান্য জায়গার মানুষেরা নদীর পূর্ব এবং পশ্চিম তীর ধরে বৃষ্টিপাতের ধরণের উপর নির্ভর করে বসতি স্হানান্তর করত। প্রশান্ত মহাসাগরের তীর থেকে শুরু করে আন্দিজ পর্বতমালার ১৫০০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত গবেষকরা যেখানেই খুড়েছেন সেখানেই নাজকা বসতির প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন। আর প্রতিটা বসতির পাশেই পাওয়া গেছে বিভিন্ন ধরেণের ভূ-চিত্র। উঁচু মরুভুমি এবং পাহাড়ের ঢাল ছিলো ছবি আঁকার জন্য উৎকৃষ্ট ক্যানভাস। নাজকা অঞ্চলের মরুভূমিতে কোন বালি নাই, উপরের সারফেস মূলত পাথর দ্বারা গঠিত। ছবিগুলো তৈরী করার জন্য উপরের গাঢ় লাল রঙের পাথর এবং মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। নিচের হালকা রঙের মাটিই এই লাইনগুলোকে আসলে আকৃতি দিয়েছে। জলবায়ূ আদ্র হওয়ায় কারণে পাথরগুলি মরচে পরার মত গাঢ় রঙ ধারণ করেছে যা আবার পাথরগুলোকে তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুষ্ক, বৃস্টিপাতহীন মরু আবহাওয়ায় এই লাইনগুলির তেমন একটা ক্ষয় হয় না বল্লেই চলে। আর সে কারণেই বহু শতাব্দী পরেও এই ভূ-চিত্রগুলি আজও মোটামুটি অক্ষত অবস্হায় আছে। প্রত্নতত্ববিদরা মনে করেন এই রেখাগুলির সৃষ্টি এবং রক্ষনাবেক্ষন উভয়ই ছিলো একটি গোষ্ঠিগত প্রচেষ্টা। অনেকটা আগের দিনে খৃস্টানদের 'ক্যাথিড্রাল' বানানোর মত।

বেশিরাভগ মানুষের কাছেই নাজকা মানেই হলো এর লাইনগুলি। কিন্তু নিশ্চিত করেই বলা যায় যে নাজকারা ভূ-চিত্র অংকনে খুবই প্রসিদ্ধ হলেও তারাই প্রথম এ ধরণের ছবি আঁকেনি। প্যালপা এলাকার নাজকাদের পূর্ববর্তী প্যারাকাস সভ্যতার লোকেরাও মোট ৭৫টি ভিন্ন ধরণের/গ্রুপের ভূ-চিত্র এঁকে গেছে। এই প্যারাকাস ভূ-চিত্রগুলোর মধ্যে মানুষের দৈহিক ছবির আধিক্য দেখা যায়। যেগুলো কিনা আবার আরও প্রাচীণ কালের পাথরে খোদাই করা পেট্রোগ্লিফ নামে পরিচিত চিত্রের বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন। এই পেট্রোগ্লিফগুলো থেকে নাজকা লাইন সম্পর্কে একটা গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া যায়, আর সেটা হলো এগুলো নির্দিষ্ট কোন এক সময়ে বা এক স্হানে বা একই উদ্দেশ্য নিয়ে আঁকা হয়নি। এদের বেশির ভাগই পুরনো কোন ছবির উপর নতুন করে আঁকা। এভাবে বারবার মুছে আবার তার উপর আঁকার কারণে ছবিগুলোর মানে খুঁজে বের করাটাও হয়ে পরেছে অনেক কঠিন।

শুধু আকাশ থেকে দেখতে পাওয়ার জনপ্রিয় ধারণাটাও আসলে আধুনিককালের অতিকথন। নাজকাদের আগের প্যারাকাস যুগের পাহাড়ের গায়ে আঁকা ভূ-চিত্রগুলো প্যাম্পা থেকে দেখতে পাওয়া যায়। ন্যাসকা সভ্যতার শুরু দিকে মানুষের ছবির বদলে প্রাকৃতিক ছবির আধিক্য বেড়ে যেতে থাকে এবং সেগুলো পাহাড়ের ঢাল থেকে সমতলভূমিতে স্হানান্তরিত হতে থাকে। এই খোদাইকৃত স্পাইডার, হামিংবার্ড সহ বেশীরভাগ প্রানীর ছবিগুলোই একলাইনে আঁকা। কেউ একজন এই ছবিগুলোর যে কোন এক স্হান থেকে শুরু করে অন্য কোন লাইনকে অতিক্রম না করেই অন্য আরেক স্হানে বের হয়ে যেতে পারবে। প্রত্নতত্ববিদরা মনে করেন নাজকা সভ্যতার প্রথমদিকেই এগুলো শুধুমাত্র ছবি থেকে উৎসবীয় শোভাযাত্রার পায়ে হাটা পথে রুপান্তরিত হয়। পরবর্তীকালে জনসংখ্যা বেড়ে গেলে আরও বেশিসংখ্যক লোক এই ধর্মীয় আচারে অংশ নিতে শুরু করলে এই ভূচিত্রগুলো আরও অনেক উন্মুক্ত এবং জ্যামিতিক আকার ধারণ করতে শুরু করে। গবেষকদের মতে তখন এগুলোকে আর শুধু ছবি হিসাবে তৈরী করা হতো না বরং এগুলো ছিলো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য ব্যবহৃত হাঁটার মঞ্চ। গবেষকরা ঐ সমস্ত ভূ-চিত্রের আশে পাশে, বিশেষ করে মূল মঞ্চের আশে পাশে, চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সুক্ষ পরিবর্তন থেকে বুঝতে পেরেছেন যে ওখানকার মাটি মানুষের হাঁটা-চলা বা অন্যান্য কর্মকান্ডের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী ট্টাপিযয়েড এবং অন্যান্য জ্যামিতিক আকার গুলো এমন যায়গায় তৈরী করা হয়েছে যাতে করে সেগুলো ভিন্ন ভিন্ন সুবিধাজনক স্হান হতে দেখা যায়। এসব তথ্য থেকে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে এই স্হানে বিভিন্ন দল বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ড করত আর যা দূরে উপত্যাকা থেকে বা অন্যান্য ভূ-চিত্রের উপর থাকা মানুষজন সেগুলো অবলোকন করতে পারত।


বহু শতাব্দী ধরে আন্দিজের অধিবাসীরা পাহারের গায়ে আঁকা বিভিন্ন দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করত, যেমন সেরো ব্ল্যাঙ্কো। আর ঐতিহ্যগত ভাবেই পাহাড়কে পৌরাণিক কাহিনীর মত সাধারণতঃ পানির উৎসের সাথে সম্পর্কযুক্ত মনে করা হয়। ন্যাসকা লাইনগুলোর মূল উদ্দেশ্যই ছিলো সেরো ব্ল্যাঙ্কো সহ অন্যান্য পাহারের গায়ে খোদাইকৃত দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করা। বৃষ্টপাত শুরু হওয়া এবং কৃষিকাজ ও উর্বরতার সাথে সম্পর্কিত বহু ধর্মীয় আচার পালনের চিহ্ন গবেষকরা এই স্হানগুলোতে, বিশেষ করে বেদীর আশেপাশে পেয়েছেন। এ চিহ্নগুলো ছিলো ধর্মীয়ভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং পানি এবং উর্বরতার প্রতীক এবং পানির জন্য প্রার্থনার সাথে সম্পর্কযুক্ত। গবেষকদলের মতে পানি ছিলো নাজকা অঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়।


ভূ-গর্ভস্হ পানি সংরক্ষনের জন্য নাজকাদের তৈরী বিশেষ ধরনের আকিফার'স। 
nazca water
কিন্তু এতসব প্রার্থনা এবং নৈবেদ্যর সবই বিফলে গেছে। ৫০০ থেকে ৬০০ খৃষ্টাব্দের মধ্যে পানির স্বল্পতা কিংবা অনুপস্হিতিই যে নাজকা সভ্যতার বিলুপ্তির অন্যতম প্রধান কারণ ছিলো সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই। নাজকাদের বসতি স্হাপনার ক্রম ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তারা যেন শুষ্ক জলবায়ুকে দৌড়ে পরাজিত করতে চেয়েছিলো। ৬ষ্ঠ শতাব্দীর শেষের দিকে শূষ্ক জলবায়ুর জয় হয় এবং নাজকা সভ্যতার পতন ঘটে। কাহুয়াচির আশেপাশের নাজকা সংস্কৃতির পতনের কারণ যে শুধুমাত্র আবহাওয়া ছিলো তা নয়। কিছু কিছু উপত্যাকায় পানির পরিমাণ বেশী থাকায় আশে পাশের গোত্রগুলির মধ্যে সংঘাতের পরিমাণও অনেক বেশী বেড়ে যায়। ৬৫০ খৃষ্টাব্দের দিকে মধ্যাঞ্চলের উচ্চভূমি থেকে ছড়িয়ে পরা যুদ্ধবাজ গোত্র Wari / Huari রা দক্ষিণের মরুভূমি অঞ্চলের নাজকাদের বিলীন হওয়ারও কারণ হয়ে দাড়ায়।

আজকের দিনে নাজকাদের ঐতিহ্য যদিও তাদের লাইনগুলির মাধ্যমেই আজও বেঁচে আছে এবং বেশিরভাগ মানুষ তা আকাশ থেকেই অবলোকন করে থাকে তথাপি মাটিতে লাইনগুলির উপর দিয়ে না হাটলে সেগুলোর আসল গুরুত্ব অনুধাবন করা যায় না বলেই গবেষকদের মতামত। মূল লেখকের মতে প্রার্থনার জন্য এই লাইনগুলির উপর দিয়ে হাটার ফলে ন্যাসকা মানুষদের নিজেদের মধ্যকার আত্মিক এবং সামাজিক বন্ধন আরও দৃড় হত। এই ভূচিত্র গুলো নাজকাদের বহমান জীবন এবং ধর্মীয় আচারের মাধ্যমেই স্মরণ করিয়ে দিত যে তাদের ভাগ্য তাদের পরিবেশের সাথেই বাঁধা। এই ভূ-চিত্র গুলো থেকেই ভালো এবং খারাপ উভয় সময়েই প্রকৃতির প্রতি তাদের অকৃত্রিম ভালবাসার প্রমাণ পাওয়া যায়।
আরো অসংখ্য ছবি আছে গুগলে Nazca line লিখে সার্চ দিন পেয়ে যাবেন।

Tunguska বিষ্ফোরণ এখনও সবার নিকট অজানা রহস্য

১৯০৮ সালের ৩০শে জুন রাশিয়ার সাইবেরিয়ার বৈকাল হ্রদের উত্তর-পশ্চিমের দুর্গম পার্বত্য এলাকা টাঙ্গুস্কায় ঘটেছিল এক প্রচন্ড শক্তির বিস্ফোরন।এটি ছিল হাইড্রোজেন বোমা আবিস্কারের আগ পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম বিস্ফোরন। সে বিস্ফোরনের শক্তি ছিল হিরোশিমার পারমানবিক বোমার চেয়ে ১০০০ গুন বেশী শক্তি শালী। কি ছিল সেই বিস্ফোরন? আজ ১০৪ বছর পরেও সে প্রশ্নের সঠিক উত্তর মেলেনি।
Tunguska blasts
রাশিয়ার সাইবেরিয়ার এ এলাকায় জনবসতি নেই বললেই চলে। অল্প কিছু আদিবাসী “ইভেঙ্কি” বাস করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দূরে দূরে । তখন গরমকাল,সকাল বেলা। সুর্য্যের মত উজ্জ্বল এবং উত্তপ্ত নীল আগুনের কুন্ড নেমে এল আকাশ থেকে। ৭-১৭ মিনিটে আঘাত হানল সে আগুন। এর প্রচন্ড শব্দ মনে হল লক্ষ কোটি কামান যেন একসাথে গর্জে উঠল, ৫০০ মাইল দুরেও শোনা গেল সে শব্দ। আশেপাশের সমস্ত কিছু কেপে উঠল প্রচন্ড শক ওয়েভে। মুহুর্তের মধ্যে তা মাটিতে শুইয়ে দিল পাহাড়ী নদী টাঙ্গুস্কার আশেপাশের গাছপালাকে, উপড়ে ফেলল শ’কিলোমিটার দুরের বাড়ী ঘরদোর। প্রচন্ড শব্দে চিরতরে শ্রবনশক্তি হারাল পশু চারনকারীরা। শুন্যে তুলে মাটির উপর আছড়ে ফেলল মানুষজন গবাদিপশুদেরকে। বিস্ফোরনে পুড়ে যাওয়ার পর শুরু হল কালো ছাইয়ের বৃস্টি, চলল কয়েকদিন। ঘটনাস্থল থেকে ৪০০ মাইল দূরে কানস্ক( Kansk) শহরে চলন্ত ট্রেন কেপে উঠে থেমে গেল। মনে হল গোটা ট্রেনটাই ছিটকে পড়বে রেললাইন থেকে। সীট থেকে আছড়েপড়ল যাত্রীরা। বিস্ফোরনস্থল জনমাননশুন্য হওয়াতে কোন প্রানহানি ঘটে নি।
৫০০ মাইল দুরের নিকটতম ইর্খটুস্কের ভুমিকম্প পর্যবেক্ষন কেন্দ্র তা রেকর্ড করল ভূমিকম্প হিসেবে। ১০,০০০ কিলোমিটার দূরে লন্ডনে বায়ুমন্ডলের চাপের তারতম্য ধরা পড়ল। পৃথিবীর উলটো দিকের ওয়াশিংটনের সিসমোগ্রাফ যন্ত্র জানান দিলো এই বিস্ফোরনের।

এই বিস্ফোরনের মাত্রা ছিল ১০-১৫ মেগাটন টি,এন,টি’র সমান শক্তির। পারমানবিক বোমার আগে সবচে’ শক্তিশালী বিস্ফোরক ছিল টি,এন,টি বা ট্রাই,নাইট্রো টলুয়েন(TNT= Tri nitro toluene) আর মেগাটন সমান হল ১০ লক্ষ মেট্রিক টন। অর্থাৎ ১কোটি ৫০ লক্ষ টন টি,এন,টি র সমান ছিল এর শক্তি। তাপমাত্রা উঠেছিল ৫০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। এই বিস্ফোরন ছিল এ যাবৎ কালের সবচে বড় পারমানবিক বোমা রাশিয়ার “ জার বোম্বা”র তিনভাগের এক ভাগ সমান শক্তির। ২১৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে আনুমানিক ৮ কোটি গাছকে মাটির সাথে শুইয়ে দিয়েছিল এ বিস্ফোরন। যে কোন বড় মেট্রোপলিটান শহরকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য যথেস্ট শক্তিশালী ছিল এই বিস্ফোরন।

Tunguska blasts
ইতিহাস- এতবড় বিস্ফোরন কিন্তু ছিল অনেকটাই উপেক্ষিত। ১৯১৪ সালের প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব, গৃহযুদ্ধ ইত্যাদি কারনে টাঙ্গুস্কা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য হয় নি। অবশেষে ১৯২১ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ মিউজিয়ামের উল্কা সংগ্রহের প্রধান কিউরেটর ভ্লাদিমির কুলিকের নেতৃত্বে প্রথম বৈজ্ঞানিক অভিযান হল টাঙ্গুস্কায়। সাইবেরিয়ার চরম বৈরী আবহাওয়ায় তার দল সেবার ঘটনাস্থল কেন্দ্রে পৌছাতে পারে নি।.১৯২৭ সালে দ্বিতীয়বার অভিযানে এলেন কুলিক। নিকটবর্তী ইভেঙ্কি আদিবাসীরা এ বিস্ফোরন নিয়ে কোন তথ্য দিতে চায়নি কুলিকের দলকে। তাদের বিশ্বাস ছিল সেদিনের সে বিস্ফোরনে দেবতা “ওগডি” অভিশাপ দিয়ে ধ্বংশ ধ্বংশ করেছিলেন সে এলাকার গাছপালা, পশুপাখি। দ্বিতীয় অভিযানে বিস্ফোরন স্থলের দক্ষিনে এসে থেমে গেল কুসংস্কারাচ্ছন্ন এভেঙ্কী শিকারীরা। ফিরে এসে নতুন গাইড নিয়ে অবশেষে কুলিকের দল পৌছান বিস্ফোরন এলাকায়। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে কুলিক দেখলেন মাইলের পর মাইল জুড়ে ধ্বংশযজ্ঞ। দৈত্যাকৃতি প্রজাপতির আকারের ৮০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে ধ্বংশপ্রাপ্ত বনজঙ্গল। আশ্চর্যের বিষয় হল উল্কাপিন্ডের আঘাতে সৃস্ট কোন গর্ত খুজে পেলেন না কুলিক। কেন্দ্র স্থল থেকে উল্টো দিকে উপড়ে পড়েছে পুড়ে যাওয়া গাছপালা। কিন্তু কেন্দ্রে ঠাই দাঁড়িয়ে আছে ডালপালাহীন বাকল ছিলে নেওয়া গাছগুলো। হিরোশিমার পারমানবিক বিস্ফোরনের পর একই ধরনের ডালপালা খসে পড়া, বাকল ছিলে যাওয়া লক্ষ করেন বিজ্ঞানীরা। ১৯৩৮ সালে বিমান থেকে এ এলাকার জরীপ করা হয়। এরপর আরো তিনবার এ এলাকায় অভিযান চালান কুলিক। কিন্তু বিস্ফোরনের আঘাতের চিহ্নস্বরুপ কোন গর্ত খুজে পাওয়া যায় নি। ১০ থেকে ৩০ মিটার মাপের বিভিন্ন আকৃতির গর্ত পান কুলিক কিন্তু সে গুলো আঘাতের ফলে সৃস্ট নয়।
প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বিবরন- বিস্ফোরনস্থলের ৪০ মাইল দক্ষিনে ভানাভারা শহরের সেমেনভ ( S. Semenov) ১৯৩০ সালে বিজ্ঞানী কুলিকের কাছে বর্ননা করেছিলেন তার সে দিনের অভিজ্ঞতার কথা।
“ সে দিন আমি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বারান্দায়চেয়ারে বসেছিলাম উত্তরদিকে মুখ করে। হঠাৎ তাকিয়ে দেখলাম উত্তরের আকাশ চিরে দুই ভাগ হয়ে গেল। সে ফাক দিয়ে বেরিয়ে এল আগুন। সারা উত্তর দিকের আকাশের পুরোটা জুড়ে আগুন আর আগুন। সে থেকে আসছিল প্রচন্ড তাপ। মনে হল আমার গায়ের শার্টে আগুন লেগে গেছে। খুলে ফেলতে চাইলাম শার্ট। এ সময় এল প্রচন্ড সেই শব্দ। ছিটকে পড়লাম চেয়ার থেকে কয়েক মিটার দূরে। গরম বাতাসের হলকা ঘিরে ধরল এলাকাকে। কেপে উঠল মাটি। কিছুক্ষন জ্ঞানহীন পড়ে রইলাম মাটির উপরে , মনে হচ্ছিল ছিটকে আসা পাথরের চাই মুহুর্তে এসে পিষে দেবে আমাকে। কিছুক্ষন পর আবিস্কার করলাম বেচে আছি, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ক্ষেত খামারের ফসল,এলাকার অনেক বাড়ীঘরদোরের চুর্নবিচুর্ন কাচের জানালা, ছাদ ইত্যাদি”
বিস্ফোরনের ব্যাখ্যা-
১) উল্কাপিন্ড? – টাঙ্গুস্কার বিস্ফোরনের সর্বাধিক গৃহীত মতবাদ হল যে এটি ছিল বিশাল উল্কাপিন্ড যা মাটি থেকে ৬-১০ কিলোমিটার উপরে এসে জ্বলে ওঠে। প্রতিনিয়তই বহির্বিশ্বের উল্কাপিন্ড ঢুকে পড়ছে বায়ুমন্ডলে আর প্রচন্ড বেগের ফলে বায়ুমন্ডলের সাথে সঙ্ঘর্ষে তা জ্বলে ঊঠে ছাই হয়ে যাচ্ছে। ৩০ মিটার ব্যাসের উল্কাপিন্ড বায়ুমন্ডলে ২০ কিলোটন শক্তিতে বিস্ফোরিত হতে সক্ষম। কিলোটন মাপের উল্কাপিন্ডের বিস্ফোরন বছরে দু একবার ঘটছে বায়ুমন্ডলের উচুতে- আমেরিকান বিজ্ঞানীদের ধারনা এ রকমই। আর টাঙ্গুস্কার মত মেগাটন মাপের বিস্ফোরনের উপযোগী উল্কা পিন্ড ৩০০ বছরে একবার আঘাত হানে পৃথিবীতে।
১)ধুমকেতু না উল্কাপিন্ড?- বৃটিশ বিজ্ঞানী F.J.W. Whipple টাঙ্গুস্কা বিস্ফোরন সম্পর্কে বলেন”এটি ছিল বরফ এবং ধুলাবালির ছোটখাট ধুমকেতু। প্রচন্ড বেগে ধেয়ে এসে বরফ এবং ধুলাবালি বায়ুমন্ডলের সংস্পর্শে এসে তা জলে ওঠে এবং পৃথিবীপৃষ্ঠে পৌছানোর আগেই তা ভষ্মিভুত হয় তাই কোন আঘাতের গর্ত খুজে পাওয়া যায় নি। ঐ সময়ে ইউরোপের আকাশে কয়েকদিন দেখা যায় ধুমকেতু। বিজ্ঞানী কার্ল সাগান মনে করেন বরফের ধুমকেতু’র আঘাতের ফলেই ঘটে টাঙ্গুস্কার বিস্ফোরন।

৩) এন্টীম্যাটার?

৪) ব্লাক হোল – খুব গ্রহনযোগ্য না হলেও দু একজন বিজ্ঞানী দাবী করেন ব্লাকহোল টাঙ্গুস্কা হয়ে পৃথিবীর মধ্য দিয়ে চলে যায়।
Tunguska blasts ufo
৫) ভিনগ্রহের মহাশুন্যযান?
রুশ লেখক আলেক্সান্ডার কাজানাতসেভ টাঙ্গুসকা বিস্ফোরন নিয়ে লেখেন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী "The Explosion" । অনেকে ধারনা করেন পারমানবিক শক্তিচালিত ভিনগ্রহের মহাশুন্যযানে বিস্ফোরন ঘটে টাঙ্গুস্কার উপর । দু একজন বিজ্ঞানী ভিনগ্রহের মহাশুন্যযানের ধ্বংশাবশেষ খুজে পাওয়ার ও দাবী করেছেন। এদের ই একজন হলেন , Dr. Yuri Labvin,। ২০০৯ সালে টাঙ্গুস্কাতে খুজে পাওয়া বিচিত্র চিহ্ন আঁকা কোয়ার্জের টুকরোকে মহাশুন্যযানের কন্ট্রোল প্যানেলের ধ্বংশাবশেষ হিসেবে দাবী জানান।

সূত্র: http://en.wikipedia.org/wiki/Tunguska_event
      http://science.nasa.gov/science-news/science-at-nasa
      http://www.unmuseum.org/siberia.htm 

মৎস কন্যাদের অজানা রহস্য সম্প্রতি দেখা মৎস কন্যা

মৎসকন্যারা হল অর্ধমানবী অর্ধমাছ। বর্ননায় যাদের উপরের অর্ধেক হল অপরুপ যুবতী। পৃথবীর বিভিন্ন দেশের উপকথায় মৎসকন্যা বর্ননা পাওয়া যায়, যার মধ্যে দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ এশিয়া সবাই আছে। মৎসকন্যাদের নিয়ে প্রথম বর্ননা পাওয়া যায় প্রাচীন অ্যাসিরিয়াতে ১০০০ খিঃ পূঃ। এখানে বর্ননা থেকে জানা যায় দেবী অ্যাটারগাটিস ভূল করে যখন তার মানব প্রেমিক কে হত্যা করে ফেলেন লজ্জায় দুঃখে পানিতে পানি ঝাপঁ দেন আত্নহত্যা করার জন্য। কিন্তু দেবী অ্যাটারগাটিস এত সুন্দরী ছিলেন যে সমুদ্র দেবতা পসাইডন তাকে মৃত্যর বাজ্যে যেতে না দিয়ে অর্ধমানবী অর্ধমাছ রুপে নব জীবন দান করেন। একই বর্ননা পাওয়া যায় ব্যাবিলনীয় উপকথায় দেবী “ইয়া” কে নিয়ে। গ্রীক উপকথায় এই অ্যাটারগাটিসই আবার “আফ্রোদিতি” নামে পরিচিত।
মৎস কন্যা
http://en.wikipedia.org/wiki/Mermaid
সবগুলো উপকথা পড়ার পরে জানা যায় মৎসকন্যারা সংগীতে ভীষন পারদর্শী সুরের মায়াজাল সৃষ্টির মাধ্যমে তারা জাহাজের যাত্রীদের মৃত্যুর দিকে আকর্ষণ করতো। তাদের গানের গলা এতই চমৎকার ছিল যে সেই গান নাবিকদের কানে পৌঁছালে নাবিকরা সেই দ্বীপের দিকেই ধাবমান হতো। ফলে সেই জাহাজ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে সাগরে পতিত হত সবাই। অ্যাটারগাটিস এর মানব প্রেমের অনুকরনে মৎসকন্যারা এরপর ডুবে যাওয়া নাবিক দের তাদের প্রেম এর আহবানে সাড়া দেবার জন্য সাগরের মধ্যে ঝাঁপ দিয়ে তাদের কাছে পৌছে যেত, হায় তারা বুজত না মানব কূল যে পানির নীচে বেচে থাকতে পারে না। ফলস্বরুপ যখন মৎসকন্যারা পানির নীচে দিয়ে ডুবন্ত নাবিকদের উদ্বার করে তাদের সাইরেন দ্বীপে নিয়ে আসত ততক্ষনে তারা মৃত্যু রাজ্যে পৌছে যেত।
মৎস কন্যা
কোন কোন উপকথায় এই মৎসকন্যারা মানুষদের প্রতি ভীষন বিদ্বেষপূর্ন আবার কোথাও কোথাও কোথাও প্রেমময়। তবে যাই হোক না কেন শেষ পর্যন্ত নাবিকরা মারা যেত। হায়! ভালবাসলেও মৃত্যূ না বাসলেও মৃ্ত্যু।
মৎস কন্যা


মৎসকন্যাদের মৃত্যু:
এখন দেখি রুপকথার এই মৎসকন্যাদের কি ভাবে মৃত্যু হয়ে ছিল।আর্গোনটরা ( সোনালী ভেড়ার চামড়া সংগ্রহ অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের দল ) একবার সাইরেনদের দ্বীপ অতিক্রম করতে যাচ্ছিল। তাদের পরিণতির কথা ভেবে দেবী আফ্রোদিতি অর্ফিউসকে
মৎস কন্যা


সাইরেনদের দ্বীপ অতিক্রমনের সময় তাঁর বীনায় মোহময় সুর সৃষ্টি করতে নির্দেশ দেন। অর্ফিউস ছিল সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব সুর স্রষ্টা।
দেবতাদের পর মরণশীলদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম সুরের জাদুকর এই অর্ফিউস। সে এক বিশেষ ধরনের বাশি বাজাত, যেটার নাম ছিল লাইর। দেবতা হারমিসের তৈরি এ বাশি পূর্ণতা পেয়েছে অর্ফিউসের কাছে। অর্ফিউস ছিল দেবতা অ্যাপোলোর পুত্র। অর্ফিউসের মা ছিল ক্যালিউপ। অর্ফিউসের বাস ছিল পম্পেলিয়ায় , যেখানে সে তার শৈশব মা এবং বোনদের সাথে কাটিয়েছে। দেবতা অ্যাপোলো অর্ফিউসকে খুব ভালবাসতেন এবং তিনিই প্রথম অর্ফিউসকে লাইর বাজানো শেখান।
জেসন ছিল আর্গোনট দলের নেতা। জেসনের দল যখন সাইরেনিয়া দ্বীপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো , তখন অর্ফিউস তার বাঁশি বাজানো শুরু করেন । তার সুর সাইরেনদের সুরকে ছাপিয়ে গেলো । নাবিকরা নিরাপদে দ্বীপ পার হতে পারলো ।কিন্তু একজন আর্গোনট জাহাজের পাল ওড়ানোর কাজে ব্যস্ত থাকায় তার কানে অর্ফিউসের সুর প্রবেশে ব্যর্থ হয়। ফলে সে উন্মাদের মতো জাহাজ থেকে লাফিয়ে সাগরে পড়ে যায়। আফ্রোদিতি অবশ্য পরে তাকেও ঊদ্ধার করেন।
মৎস কন্যা


ট্রয়যুদ্ধ শেষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পথে মহাসমুদ্র দেবতা পোসিডনের ষড়যন্ত্রে দিকভ্রান্ত অডিসিউসও সাইরেনদের কবলে পড়েন। ফলে তিনি সাইরেনদের দ্বীপ অতিক্রম করার আগে প্রত্যেক নাবিকের কান মোম দিয়ে বন্ধ করে দেন এবং নিজেকে মাস্তুলের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। ফলে সাইরেনরা প্রথমবারের মতো ব্যর্থ হয়। ব্যর্থতার লজ্জায় তারা সমুদ্রে ডুবে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর পর সাইরেনরা সমুদ্রশিলায় পরিণত হয়। এভাবেই গ্রীক পূরাণের একটি চমৎকার অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।

মৎস কন্যা

বর্তমানে দেখার দাবী:

                     
এ তো গেল রুপকথা এখন দেখি নিকট অতীতে কে কে এই মৎসকন্যাদের দেখেছিলেন বলে দাবী করেছেন?
কলোম্বাস, হ্যা ক্রিস্টোফার কলম্বাস এর লগ বুক থেকে জানা যায় তিনি যখন ক্যারিবিয়ান দ্বীপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন নাকি এক অর্ধমানবী অর্ধমাছ কে সমুদ্রবেলায় বসে থাকতে দেখেছেন।
মৎস কন্যা

১৯৪৭ সালে ৮০ বছর বয়স্ক একজন জেলে নাকি উপকুল থেকে ২০ গজ দূরে এক মৎসকন্যা দেখেছিলেন যে নাকি গলদা চিংড়ির দাড়া দিয়ে চুল আচড়াচ্ছিলো, কিন্ত যখনই ওই মৎসকন্যা বুজতে পারল কেউ তাকে দেখছে ওমনি টুপ করে পানির মধ্যে তলিয়ে যায়।

১৮৫৭ সালের জুন ৪, ব্রিটিশ শিপিং গ্যাজেট এ লেখা আছে এক স্কটিশ নাবিক নাকি সাগরে মধ্যে ঢেউ এর উপর এক কিশোরী কে বসে থাকতে দেখেছে।

১৮৩৩, আইল অভ ইয়েল, ছয়জন জেলে নাকি এক মেয়ে কে তাদের জালে আটকায়, তিনফুট লম্বা ওই মেয়ে নাকি জেলেদের নৌকায় উঠার পর তিন ঘন্টা ছিল, সে নাকি জেলেদের সাথে কোন প্রতিরোধ এ যায়নি। শুধু আস্তে আস্তে ফোপাচ্ছিল। ওই মেয়ের নাকি কোন মাছের মত লেজ ছিল না। কিন্ত তার দেহে সামান্য আঁশ ছিল। জেলেরা মারাত্নক ভয় পেয়ে যায় নৌকা আর সাগরের মধ্যে তারা আর প্রতিবন্ধকাতা তৈরি করেনা ইশারায় মেয়েটিকে চলে যেতে বলে। কৃতজ্ঞতার দৃষ্টি হেনে মেয়েটি নিখুত এক ডাইভ দিয়ে সাগরে চলে যায়। সাগরে নেমে কিছুক্ষন পর আবার ঊঠে ঢেউ এর উপর ভেসে ভেসে তাদের কৃতজ্ঞতা জানায় এবং এক সময় সাগরে হারিয়ে যায়। এ গল্প এডিনবর্গ ইউনিভার্সিটির ন্যাচারাল হিষ্ট্রির প্রফেসর ম্যাক্লিহানকে শুনান এডমন্ডসন নামে এক জাহাজের কাপ্তান।

১৮১১, অক্টোবর ২৯ ক্যাম্পবেল টাউন, সাগর কুলে ছোট্ট এক স্কটিশ গ্রাম জন মেসিইক ছুটতে ছুটতে শেরিফ কে এসে বলেন এইমাত্র সে সমুদ্রতটে এক মৎসকন্য বসে থাকতে দেখেছে। শেরিফ তাকে নিয়ে যায় রেভারেন্ড জর্জ রবার্টসন, রেভারেন্ড নরম্যান ম্যাক্লদ, এবং রেভারেন্ড জেমস ম্যাক্সয়েল এর কাছে, জন মেসিইক হলফ করে বলে রেভারেন্ডদের কাছে যা সে শেরিফদের কাছে বলছে। বিজ্ঞ রেভারেন্ড মন্ডলী স্বীকার করে নেয় জন মেসিইক সত্যি বলছেন।

প্রাচীন প্রযুক্তির রহস্যময় আবিষ্কার

আধুনিক সভ্যতার দিনে প্রতিনিয়ত আমরা টেকনোলজির চমকে আশ্চার্য হই। তাই বলে আগের কালের মানুষও টেকনোলজিতে পিছিয়ে ছিলো না। তারা তাদের সময়কার সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন সব অভাবনীয় জিনিস তৈরি করেছিলো যা আজও আমাদের ভাবায়। যার প্রায় সবটাই আমাদের কাছে অজানা।
গ্রিকের আগুন বন্ধুক


১। গ্রিক আগুন(Greek Fire): প্রাচীন কালের হারিয়ে যাওয়া প্রযুক্তির মধ্যে গ্রিক আগুন হলো অন্যতম(Greek Fire)। গ্রিক আগুন এমনই এক জিনিসের সংমিশ্রনে তৈরি যা তাকে জলের/পানির নিচেও একটানা জ্বালিয়ে রাখত। নাম থেকেই বোঝা যায় এর জন্ম হয় গ্রিক সম্রাজ্যের সময়। Byzantine Empire এর সৈন্যরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করত। এই অজানা প্রযুক্তির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার লক্ষ করা হয় ১১ শতকে। প্রথমে একে এক ধরনের আগুন বোমার মত ব্যবহার করা হয় শত্রুর দিকে ছুড়ে মেরে। বিশেষ করে যুদ্ধ জাহাজে এই টেকনোলজি বেশি ব্যবহার করা হত। এক সময়ে অজানা কারনে এর ব্যবহার কমতে থাকে দিনে দিনে এটা ইতিহাসে পরিনত হয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিকরা পরে এই টেকনোলজি নিয়ে অনেক গবেষণা করে কিন্তু কোন তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তাই এখনও এটা প্রশ্ন থেকে গেছে, প্রাচীন কালের মানুষ কি এমন তৈরি করেছিলো যার আগুন পানিও নিভাতে পারতো না?




প্রাচীন রহস্যময় প্রযুক্তি
২।The Antikythera Mechanism: গ্রীসের সমুদ্র উপকূল থেকে একটি প্রাচীন ডুবন্ত জাহাজ থেকে ১৯০০ সালে এই যন্ত্রটি পাওয়া যায়। যন্ত্রটি সম্পূর্ন ব্রোঞ্জের তৈরি। Antikythera Mechanism এখন আর্কেওলজির এর বড় বিস্ময়। বৈজ্ঞানিকদের ধারনা এই যন্ত্রটি ১ম শতেকে তৈরি করা। এই যন্ত্রে ৩০টি গিয়ার, ডায়াল এবং অনেক ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি করা। এটি যন্ত্রটির প্রযুক্তি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিকরা তেমন কিছুই বের করতে পারে নি। তবে ধারনা করা হচ্ছে মহাকাশ গবেষণার কাজে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা হতো। যেমন গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান নির্ধারন করা এবং আলোক বর্ষ গননা করা।




Stradivari Violins

৩। Stradivari Violins: ভায়োলিনের ইতিহাসে এটি একটি অনবদ্য সৃষ্টি। ১৭শতকের বিখ্যাত একটি আবিষ্কার এটি। ইতালির কেবল একটি মাত্র পরিবারের কতিপয় মানুষই এই বাদ্যযন্ত্রটি তৈরি করতে পারতেন। Stradivari Family ১৬৫০ সাল থেকে ১৭৫০সাল পর্যন্ত এই বাদ্যযন্তটি তৈরি করেছিলেন। এই ভায়োলিন এত সুন্দর সুর তৈরি করতে পারত যাকে এক কথায় পরলৌকিক বলা যেতে পারে। স্ট্রাডিভারি পরিবারের যারা এই ভায়োলিন তৈরি করতে পারতেন। তারা মারা যাবার পরে কেউ এই ভায়োলিন তৈরি করতে পারেনি। এ নিয়ে অনেক সুরকার, প্রযুক্তিবিদগন গবেষণা করেও কোন কারন বের করতে পারেনি আজও। পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৬০০ টির মতো স্ট্রাডিভারি ভায়োলিন আছে। তখনকার যুগেই এই বাদ্যযন্ত্রটি মূল্যবান সম্পত্তি হিসাবে পরিচিত ছিল। আভিজাত্যের প্রতীক ছিলো এটি। আর এখন একটি ‍Stradivari Violins কিনতে হলে নিলামে যেতে হবে। আর মূল্য যে কত হবে তা বুঝতেই পারছেন।

এক্সরে চোখ যুক্ত(x-ray eye) রাশিয়ান বালিকা

আগে তো শুধু সিনেমাতেই আজব আজব সুপার হিউম্যান দেখা যেতো। কিন্তু এখন বাস্তব জগতেও দেখা মেলে সুপার হিরোদের। তেমনি একজন অতিমানব হলো নাতাশা ডেমকিনা (Natasha Demkina) ডাক নাম নাটালিয়া। X-ray girl নাতাশা ১৯৮৭ সালে রাশিয়ার Saransk শহলে জন্মগ্রহন করেছে। তার মা Tatyana Vladimovna এর ভাষ্য মতে সে ছিলো একজন্য ভাল ছাত্রী। সে খুব দ্রুত কোন কিছু শিখতে পারত। ১০ বছর পর্যন্ত সে একজন সাধারন বালিকাই ছিল। সমস্যাটা শুরু হল ১০বছর বয়সের পর থেকে।

নাতাশা অতিমানব natasha the x-ray girlনাতাশার কথা “একদিন আমি আমার মায়ের সাথে বাড়িতে ছিলাম এবং হঠাৎ আমি একটি দৃশ্য দেখতে পেলাম। আমি দেখলাম আমি আমার মায়ের শরীরের অভ্যান্তরে দেখতে পাচ্ছি এবং আমি তাকে তার বিভিন্ন অঙ্গ সম্পর্কে বলতে শুরু করলাম। এখন আমি আমার চোখকে যেকোন মুহুত্বে আমার সাধারন দৃষ্টি থেকে অস্বভাবিক দৃষ্টিতে পরিনত করতে পারি। আমি মানুষের শরীরের ভিতরের রঙ্গিন ছবি দেখতে শুরু করি এবং তার পরে উপলব্ধি করি।”

২০০৩ সালে তার এই আজব ক্ষমতার কথা স্থানীয় পত্রিকায় আসে। এই ঘটনার পরে স্থানীয় শিশু হাসপাতালের একজন ডাক্তার তাকে পরিক্ষা করার জন্য তার(ডাক্তারের) পাকস্থলীর ছবি আঁকতে বললেন। নাটালিয়া তখন ডাক্তারের পাকস্থলীর ছবি আঁকলেন। তবে আজব ব্যাপার হলে নাটালিয়া ডাক্তারের পাকস্থলীতে আলসার এর চিত্র তুললে এবং সেটা একদম সঠিক স্থানে ছিল।

২০০৪ সালে তাকে নিয়ে ব্রিটিশ সংবাদপত্র The Sun প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর পরে তাকে নিয়ে বিভিন্ন ডাক্তারি পরিক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। ডিসকাভারি টিভি চ্যানেল তাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।

এছাড়াও তাকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কেউ বের করতে পারে নি। কেন বা কিভাবে সে মানুষ কিংবা কোন ধাতব বস্তুর অভ্যান্তরে কিংবা অপর পাশের বস্তুগুলো দেখতে পায়।
এক্সরে বালিকা নাতাশাX-ray girl Natasha Demkina এর নামে উকিপিডিয়াতে একটি পেইজ আছে সেখানে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া যাবে।

জনসাধারনের জন্য নিষিদ্ধ পাঁচটি রহস্যময় স্থান যা আজও সবার কাছে অজানা

এতবড় পৃথিবীতে আজব জিনিসের কমতি নেই। কিন্তু মানুষের সৃষ্টি রহস্যেরও অভাব নেই। পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে আপনি কখনোই যেতে পারবেন না যদি না আপনি সেই হাতে গোনা কয়েক জন মানুষের তালিকায় না হন। এই জায়গাগুলোর নিরাপত্তা এতই কঠোর যে ঐ জায়গার যাওয়া দূরের কথা খুব কম মানুষই জানে ঐ সব জায়গার কথা। এখানে সেই রকম পাঁচটি জায়গার কথা বলা হলো।

১। এরিয়া ৫১


এরিয়া-৫১এরিয়া ৫১ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় অবস্থিত। এরিয়া-৫১ নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। মোটামুটি একটি ঘোরের মধ্যেই আছে এই স্থানটি নিয়ে। এই স্থানটি জনসাধারনের জন্য নিষিদ্ধ। মূলত এটি একটি মিলিটারি বেইজ ক্যাম্প। কিন্তু মাঝে মাঝে অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিষ ঘটতে দেখা যায়। অনেকের মতে এখানে প্রায়ই অজানা বস্তু উড়তে দেখা যায় (UFO), অদ্ভুত অদ্ভুত প্রানীর মৃতদেহ পাওয়া যায়, ভয়ংকর শব্দ শোন যায়।তবে আজো সবার কাছে অজান এখানে কি হয়। আর কেনই বা এত নিরাপত্তা।

২। ইসি গ্রান্ড স্রিং(Ise Grand Shrine):

ইসি গ্রান্ড স্রিং
এই স্থানটি জাপানে অবস্থিতি। এটি জাপানের সবচেয়ে গোপনীয় এবং পবিত্র জায়গা। ধারনা করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে ইসি গ্রান্ড স্রিং তৈরি করা হয়।তখন থেকে আজ পর্যন্ত জাপানের রাজ পরিবার এবং প্রিস্ট ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারেনি।প্রতি ২০ বছর পর পর এই স্রিংটি নতুন করে নির্মান করা হয়।ইতিহাসবিদদের ধারনা এখানে জাপানিজ সম্রাজ্যের মূল্যবান এবং হাজার হাজার বছরের পুরনো নথিপত্র লুকানো আছে যা বিশ্ববাসিদের কাছ অজানা




৩। ভ্যাটিকান সিক্রেট আর্কাইভস:

ভ্যাটিকান সিক্রেট আর্কাইভস:


ভ্যাটিকান সিটি মানুষের কাছে যুগ যুগ ধরে একটি রহস্যময় স্থান। পৃথিবীর অনেক পুরানো ইতিহাসের স্বাক্ষী হল এই ভ্যাটিকান সিটি। এই সিক্রেট আর্কাইভটিকে বলা হয় স্টোর হাউজ অফ সিক্রেট(storehouse of secret)।খুব কম সংখ্যক মানুষই এই জায়গার ঢোকার অনুমতি পায়। আর্কাইভসটি ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। ধারনা করা হয় এখানে প্রায় ৮৪০০০ (চুরাশি হাজার)বই আছে। ইতিহাসবেত্তাদের মতে এখানে খ্রিষ্টান, প্যাগান, মেসনারিসহ আরো বিভিন্ন ধর্ম ও মতবাদের গোপন নথিপত্র এখানে সংরক্ষিত আছে।

৪। ক্লাব ৩৩ অফ ডিজনিল্যান্ড:

ক্লাব-৩৩-অফ-ডিজনিল্যান্ডডিজনিল্যান্ড মানুষের বিনোদনের জন্য বিখ্যাত। বিনোদনের জন্য পৃথিবীজোরা নাম এর। এখানের সবকিছুই সাধারন মানুষের জন্য পুরো উন্মুক্ত। কিন্তু একটি ক্লবকে খুব রেস্ট্রিটেড করে রাখা হয়েছে। ক্লবটির নাম ক্লব ৩৩। ক্লবটির প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি নিজেই। এই সদস্য হবার প্রক্রিয়া এতই জটিল যে সদস্য পদের জন্য আবেদন করার প্রায় ১৪ বছর পরে আপনি জবাব পাবেন।



৫। মসকো মেট্রো-২:

মসকো-মেট্রো-২
এই স্থানটির অবস্থান রাশিয়া। পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ আন্ডারগ্রাউন্ড শহর এটি। কিন্তু রাশিয়ান সরকার কখনই এই স্থানের অস্তিত্ব সীকার করে নাই। এই স্থানটি স্তালিনের আমলে তৈরি করা হয়েছিল।অধিকাশং মানুষ মনে করে যে এটি ক্রেম্লিনের সাথে FSB Headquarter এর সাথে সংযুক্ত হয়েছে। এতবড় একটি স্থানে মানুষের প্রবেশ অধিকারতো দূরের কথা ভালো ভাবে এর অস্তিত্বই জানে না।