Showing posts with label photo. Show all posts
Showing posts with label photo. Show all posts

ছোট্ট মেয়ে কেটির মায়া ভরা চিঠি গুগলকে


 ছোট মেয়েটির নাম কেটি। তার বাবা গুগলের একজন ডিজাইনার। অন্য ছেলে মেয়েদের মত কেটিও তার বাবার সাথে কিছু সময় ব্যয় করতে চায়। কিন্তু তার বাবা সপ্তাহে একদিন মাত্র ছুটি পায়। তার বাবার সপ্তাহিক ছুটির দিন হল শনিবার। কিন্তু কেটি তার বাবাকে একটি বিশেষ দিনে কাছে পাবার জন্য গুগলকে একটি চিঠি লিখে বসে। দিনটি ছিল বুধবার আর ঐ দিন তার বাবার জন্মদিন। তাই সে গুগল কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি লেখে। যাতে তার বাবাকে অফিসথেকে জন্মদিন পালন করার জন্য বুধবার দিন ছুটি দেয়।
a letter to google

a letter to google
গুগল কর্মকর্তা ও কেটির এই ভাঙ্গা ভাঙ্গা হাতে লেখা চিঠিটি উপেক্ষা করতে পারে নি। প্রধান ডিজাইনার ব্যবস্থাপক Daniel Shiplacoff ও কেটির কাছে একটি অফিসিয়াল চিঠি লেখে। সেখানে তিনি কেটির বাবার প্রসংশা করেন এবং তার বাবাকে একদিন নয় পুরো এক সপ্তাহের ছুটি দেয়।
a letter to google

মৎস কন্যাদের অজানা রহস্য সম্প্রতি দেখা মৎস কন্যা

মৎসকন্যারা হল অর্ধমানবী অর্ধমাছ। বর্ননায় যাদের উপরের অর্ধেক হল অপরুপ যুবতী। পৃথবীর বিভিন্ন দেশের উপকথায় মৎসকন্যা বর্ননা পাওয়া যায়, যার মধ্যে দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ এশিয়া সবাই আছে। মৎসকন্যাদের নিয়ে প্রথম বর্ননা পাওয়া যায় প্রাচীন অ্যাসিরিয়াতে ১০০০ খিঃ পূঃ। এখানে বর্ননা থেকে জানা যায় দেবী অ্যাটারগাটিস ভূল করে যখন তার মানব প্রেমিক কে হত্যা করে ফেলেন লজ্জায় দুঃখে পানিতে পানি ঝাপঁ দেন আত্নহত্যা করার জন্য। কিন্তু দেবী অ্যাটারগাটিস এত সুন্দরী ছিলেন যে সমুদ্র দেবতা পসাইডন তাকে মৃত্যর বাজ্যে যেতে না দিয়ে অর্ধমানবী অর্ধমাছ রুপে নব জীবন দান করেন। একই বর্ননা পাওয়া যায় ব্যাবিলনীয় উপকথায় দেবী “ইয়া” কে নিয়ে। গ্রীক উপকথায় এই অ্যাটারগাটিসই আবার “আফ্রোদিতি” নামে পরিচিত।
মৎস কন্যা
http://en.wikipedia.org/wiki/Mermaid
সবগুলো উপকথা পড়ার পরে জানা যায় মৎসকন্যারা সংগীতে ভীষন পারদর্শী সুরের মায়াজাল সৃষ্টির মাধ্যমে তারা জাহাজের যাত্রীদের মৃত্যুর দিকে আকর্ষণ করতো। তাদের গানের গলা এতই চমৎকার ছিল যে সেই গান নাবিকদের কানে পৌঁছালে নাবিকরা সেই দ্বীপের দিকেই ধাবমান হতো। ফলে সেই জাহাজ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে সাগরে পতিত হত সবাই। অ্যাটারগাটিস এর মানব প্রেমের অনুকরনে মৎসকন্যারা এরপর ডুবে যাওয়া নাবিক দের তাদের প্রেম এর আহবানে সাড়া দেবার জন্য সাগরের মধ্যে ঝাঁপ দিয়ে তাদের কাছে পৌছে যেত, হায় তারা বুজত না মানব কূল যে পানির নীচে বেচে থাকতে পারে না। ফলস্বরুপ যখন মৎসকন্যারা পানির নীচে দিয়ে ডুবন্ত নাবিকদের উদ্বার করে তাদের সাইরেন দ্বীপে নিয়ে আসত ততক্ষনে তারা মৃত্যু রাজ্যে পৌছে যেত।
মৎস কন্যা
কোন কোন উপকথায় এই মৎসকন্যারা মানুষদের প্রতি ভীষন বিদ্বেষপূর্ন আবার কোথাও কোথাও কোথাও প্রেমময়। তবে যাই হোক না কেন শেষ পর্যন্ত নাবিকরা মারা যেত। হায়! ভালবাসলেও মৃত্যূ না বাসলেও মৃ্ত্যু।
মৎস কন্যা


মৎসকন্যাদের মৃত্যু:
এখন দেখি রুপকথার এই মৎসকন্যাদের কি ভাবে মৃত্যু হয়ে ছিল।আর্গোনটরা ( সোনালী ভেড়ার চামড়া সংগ্রহ অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের দল ) একবার সাইরেনদের দ্বীপ অতিক্রম করতে যাচ্ছিল। তাদের পরিণতির কথা ভেবে দেবী আফ্রোদিতি অর্ফিউসকে
মৎস কন্যা


সাইরেনদের দ্বীপ অতিক্রমনের সময় তাঁর বীনায় মোহময় সুর সৃষ্টি করতে নির্দেশ দেন। অর্ফিউস ছিল সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব সুর স্রষ্টা।
দেবতাদের পর মরণশীলদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম সুরের জাদুকর এই অর্ফিউস। সে এক বিশেষ ধরনের বাশি বাজাত, যেটার নাম ছিল লাইর। দেবতা হারমিসের তৈরি এ বাশি পূর্ণতা পেয়েছে অর্ফিউসের কাছে। অর্ফিউস ছিল দেবতা অ্যাপোলোর পুত্র। অর্ফিউসের মা ছিল ক্যালিউপ। অর্ফিউসের বাস ছিল পম্পেলিয়ায় , যেখানে সে তার শৈশব মা এবং বোনদের সাথে কাটিয়েছে। দেবতা অ্যাপোলো অর্ফিউসকে খুব ভালবাসতেন এবং তিনিই প্রথম অর্ফিউসকে লাইর বাজানো শেখান।
জেসন ছিল আর্গোনট দলের নেতা। জেসনের দল যখন সাইরেনিয়া দ্বীপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো , তখন অর্ফিউস তার বাঁশি বাজানো শুরু করেন । তার সুর সাইরেনদের সুরকে ছাপিয়ে গেলো । নাবিকরা নিরাপদে দ্বীপ পার হতে পারলো ।কিন্তু একজন আর্গোনট জাহাজের পাল ওড়ানোর কাজে ব্যস্ত থাকায় তার কানে অর্ফিউসের সুর প্রবেশে ব্যর্থ হয়। ফলে সে উন্মাদের মতো জাহাজ থেকে লাফিয়ে সাগরে পড়ে যায়। আফ্রোদিতি অবশ্য পরে তাকেও ঊদ্ধার করেন।
মৎস কন্যা


ট্রয়যুদ্ধ শেষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পথে মহাসমুদ্র দেবতা পোসিডনের ষড়যন্ত্রে দিকভ্রান্ত অডিসিউসও সাইরেনদের কবলে পড়েন। ফলে তিনি সাইরেনদের দ্বীপ অতিক্রম করার আগে প্রত্যেক নাবিকের কান মোম দিয়ে বন্ধ করে দেন এবং নিজেকে মাস্তুলের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। ফলে সাইরেনরা প্রথমবারের মতো ব্যর্থ হয়। ব্যর্থতার লজ্জায় তারা সমুদ্রে ডুবে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর পর সাইরেনরা সমুদ্রশিলায় পরিণত হয়। এভাবেই গ্রীক পূরাণের একটি চমৎকার অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।

মৎস কন্যা

বর্তমানে দেখার দাবী:

                     
এ তো গেল রুপকথা এখন দেখি নিকট অতীতে কে কে এই মৎসকন্যাদের দেখেছিলেন বলে দাবী করেছেন?
কলোম্বাস, হ্যা ক্রিস্টোফার কলম্বাস এর লগ বুক থেকে জানা যায় তিনি যখন ক্যারিবিয়ান দ্বীপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন নাকি এক অর্ধমানবী অর্ধমাছ কে সমুদ্রবেলায় বসে থাকতে দেখেছেন।
মৎস কন্যা

১৯৪৭ সালে ৮০ বছর বয়স্ক একজন জেলে নাকি উপকুল থেকে ২০ গজ দূরে এক মৎসকন্যা দেখেছিলেন যে নাকি গলদা চিংড়ির দাড়া দিয়ে চুল আচড়াচ্ছিলো, কিন্ত যখনই ওই মৎসকন্যা বুজতে পারল কেউ তাকে দেখছে ওমনি টুপ করে পানির মধ্যে তলিয়ে যায়।

১৮৫৭ সালের জুন ৪, ব্রিটিশ শিপিং গ্যাজেট এ লেখা আছে এক স্কটিশ নাবিক নাকি সাগরে মধ্যে ঢেউ এর উপর এক কিশোরী কে বসে থাকতে দেখেছে।

১৮৩৩, আইল অভ ইয়েল, ছয়জন জেলে নাকি এক মেয়ে কে তাদের জালে আটকায়, তিনফুট লম্বা ওই মেয়ে নাকি জেলেদের নৌকায় উঠার পর তিন ঘন্টা ছিল, সে নাকি জেলেদের সাথে কোন প্রতিরোধ এ যায়নি। শুধু আস্তে আস্তে ফোপাচ্ছিল। ওই মেয়ের নাকি কোন মাছের মত লেজ ছিল না। কিন্ত তার দেহে সামান্য আঁশ ছিল। জেলেরা মারাত্নক ভয় পেয়ে যায় নৌকা আর সাগরের মধ্যে তারা আর প্রতিবন্ধকাতা তৈরি করেনা ইশারায় মেয়েটিকে চলে যেতে বলে। কৃতজ্ঞতার দৃষ্টি হেনে মেয়েটি নিখুত এক ডাইভ দিয়ে সাগরে চলে যায়। সাগরে নেমে কিছুক্ষন পর আবার ঊঠে ঢেউ এর উপর ভেসে ভেসে তাদের কৃতজ্ঞতা জানায় এবং এক সময় সাগরে হারিয়ে যায়। এ গল্প এডিনবর্গ ইউনিভার্সিটির ন্যাচারাল হিষ্ট্রির প্রফেসর ম্যাক্লিহানকে শুনান এডমন্ডসন নামে এক জাহাজের কাপ্তান।

১৮১১, অক্টোবর ২৯ ক্যাম্পবেল টাউন, সাগর কুলে ছোট্ট এক স্কটিশ গ্রাম জন মেসিইক ছুটতে ছুটতে শেরিফ কে এসে বলেন এইমাত্র সে সমুদ্রতটে এক মৎসকন্য বসে থাকতে দেখেছে। শেরিফ তাকে নিয়ে যায় রেভারেন্ড জর্জ রবার্টসন, রেভারেন্ড নরম্যান ম্যাক্লদ, এবং রেভারেন্ড জেমস ম্যাক্সয়েল এর কাছে, জন মেসিইক হলফ করে বলে রেভারেন্ডদের কাছে যা সে শেরিফদের কাছে বলছে। বিজ্ঞ রেভারেন্ড মন্ডলী স্বীকার করে নেয় জন মেসিইক সত্যি বলছেন।

ঘরে বসেই দেখে নিন আপনাদের ভবিষৎ সন্তান দেখতে কেমন হবে

আজকাল সবাই আগে থেকেই জানতে চায় তাদের সন্তান কেমন হবে। আসলে আধুনিক যুকে সব কিছুই সম্ভব। তবে আমরা যা করব সে একটি মজার বিষয়। আমরা দুইটি ছবি ব্যবহার করব সম্ভাব্য সন্তানের ধারনা নিতে।কাজটি করার দুইটি উপায় আছে ১. অফলাইনে ২. অনলাইনে।
ঘরে বসেই দেখে নিন আপনাদের ভবিষৎ সন্তানের প্রতিছবি

অফলাইনে করতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি সফটওয়ার ডাউলোড করে তা ইনেস্টল করে নিতে হবে। আর তা ডাউনলোড করতে হবে এখান থেকে http://luxand.com/download/BabyMakerSetup.exe

তবে অনলাইনে করলে কোন সফটওয়ার ডাউনলোড করতে হবে না। এর জন্য আপনাকে যেতে হবে এই অ্যাড্রেসে http://luxand.com/babymaker এখানে আপনাদের কম্য সন্তান কি ছেলে নাকি মেয়ে তা নির্ধারন করতে হবে এবং গায়ের রং নির্বাচন করতে হবে। এরপরে একে একে আপনার ও আপনার স্ত্রী কিংবা হবু বধুর ছবি আপলোড করতে হবে।